নারীদের জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার

0
70

স্টাফ রিপোর্টঃ ইনসেপ্টা ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড এর সহযোগীতা এম এইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সমাপ্ত হলোনারীদের জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার,বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও ফ্রি ভ্যাকসিন প্রদান।

৩০শে জানুয়ারি রোজ সোমবার সকাল ১০ টা থেকে শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আয়োজন করা হয়েছে নারীদের জরায়ু ক্যান্সার বিষয়ক প্রতিরোধ সেমিনার, সচেতনতামূলক  র‌্যালি ও জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে ফ্রী ভ্যাকসিনেশন। উক্ত সেমিনারে ১০০ জন নারী ও তরুণীরা অগ্রাধিকার ভিওিতে রেজিষ্ট্রেশন করে  অংশগ্রহণ করেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা সেমিনারটি পরিচালিত করা হয়। ৩০ বছর হলেই সকল নারীকে আহবান করা হয় জরায়ুমুখ পরীক্ষা  করানোর জন্য।

শমরিতার এ আয়োজনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত চিকিৎসক প্রফেসর ডাঃ এম ইউ কবির চৌধুরী ,প্রফেসর ডাঃ মুহাম্মদ আব্দুল জলিল আনসারী,প্রফেসর ডাঃ এস এম মামুন ইকবাল, এম এইচ শমরিতা মেডিকেল কলেজের পরিচালকদের মধ্য থেকে উপস্থিত ছিলেন তরুণ প্রতিভাবান উদ্যোক্তা আরিক ইসলাম,গাইনি ও প্রসূতি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডাঃ নাহলা বারি,স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডাঃ বিলকিস পারভীন, সহকারী অধ্যাপক ডাঃ গুলশান আরা কোহিনুর এবং আরো উপস্থিত ছিলেন ইনসেপ্টটা ফার্মাসিটিক্যাল কম্প্যানী লিমিটেড এর পক্ষ থেকে ডাঃ সারজিনা রহমান, সিনিয়ার গ্রুপ ম্যানেজার মেডিক্যাল সার্ভিস বিভাগ।

সেমিনার ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মূল উদ্দেশ্য ছিল জরায়ু ক্যান্সারকে প্রতিহত করা এবং সমাজের মানুষকে সচেতন করে তোলা। প্রায় সবার কন্ঠেই শোনা গিয়েছে সচেতন হই , ভ্যাকসিন নেই এবং সুরক্ষিত থাকি এই শ্লোগান।

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত চিকিৎসক প্রফেসর ডাঃ এম ইউ কবির চৌধুরী বলেন আমি আশা করি পূর্বের ন্যায় শমরিতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের এই ধরনের মহতী উদ্যোগ চলমান থাকবে।  সচেতনতা নিঃসন্দেহে সুস্থ থাকার একটি হাতিয়ার।
শমরিতার পরিচালকদের পক্ষ  থেকে উপস্থিত তরুণ প্রতিভা আরিক ইসলাম বলেন প্রতিরোধ অবশ্যই প্রতিকারের চেয়ে ভালো। জরায়ু ক্যান্সার  সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারলে এদেশে জরায়ু ক্যান্সারের হার  কমিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং সঠিক সময়ে ভ্যাকসিনেশনের মাধ্যমে একে নির্মূল করাও সম্ভব হবে।

সেমিনার শেষে স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসকগন ১০০ জন নারীকে ফ্রী ভ্যাক্সিন দেয়ার কার্যক্রম শুরু করেন। উল্লেখ্য যে ৯-৩৫ বছরের নারী ও তরুনীরা জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে ভ্যাক্সিন এইচপিভি নিতে পারবে।  

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে