বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ ভাসানী) এর  ১৭তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

0
99

রুপসীবাংলা ৭১

নিজস্ব প্রতিনিধিঃস্বাধীনতার ৫০ বছর পর সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকার নিয়ে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ১৭তম জাতীয় সম্মেলন ঢাকার পুরানা পল্টন মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারা বাংলাদেশ থেকে আগত কাউন্সিলরদের ভোটে জননেতা হাসরত খান ভাসানীকে সভাপতি ও জনাব খালেদ শাহরিয়ারকে মহাসচিব করে ৭১জন সদস্য বিশিষ্ট “কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনের প্রধান অতিথি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, বাংলাদেশের সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী গণমানুষের রাজনীতির পথ প্রদর্শক মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। তাঁর নিজ  হাতে গড়া দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি এদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে’।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ন্যাপ ভাসানীর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাড. হাফিজুর রহমান খান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ন্যাপ ভাসানীর মহাসচিব খালেদ শাহরিয়ার, জননেতা হাসরত খান ভাসানীবলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও এদেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি, মজলুম মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খার বাংলাদেশ বিনির্মান সম্ভবপর হয়নি। এক সরকার গেছে, অন্য সরকার এসেছে; সন্তাস, দুর্নিিত, দুঃশাসন কমেনি। লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার প্রতি বেঈমানী আমরা মেনে নিতে পারি না। ১৯৫৭ সালে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী প্রতিষ্ঠিত গণমানুষের দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রতি এদেশের মানুষের যে গণআকাঙ্খা তৈরী হয়েছে; তার প্রতি সম্মান রেখে আমরা গণমানুষের বাংলাদেশ বিনির্মানের দৃপ্ত শপথ নিয়ে নতুনরূপে হাজির হয়েছি। আশা করি বাংলাদেশের ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, জনতা, পেশাজীবী ও ভাসানী অনুসারীগণ আমাদের এই আহ্বানে সাড়া দিবেন।

তিনি বলেন, দেশ আজ এক ঘণীভূত সংকটের মুখোমুখি। সরকার দমন-পীড়ন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মানুষকে হয়রানি এবং গ্রেফতারের ঘটনা জনগণের জীবনে নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। সকল দ্রব্যমূল্য উর্ধ্ব গতি বুঝিয়ে দেয় সাধারণ মানুষের জীবন যাপনের নাবিশ্বাস অবস্থা। অতি দরিদ্র ও বেকারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই অবিলম্বে এই অবস্থা প্রতিকারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। জনগণকে তোয়াক্কা না করার প্রবণতার কারণেই সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি প্রবেশ করেছে। তাই বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটিয়ে একটি গণমানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা করা আমাদের আশু লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল শক্তিকে সাথে নিয়ে আমরা গণআন্দোলন গড়ে তুলতে চাই।সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ন্যাপ ভাসানীর যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আলাউদ্দিন, রুবেল সরকার জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক (রংপুর), ইউনুস ফকির (বরিশাল), আবুল কালাম (ময়মনসিংহ), অর্থ সম্পাদক ডাঃ আব্দুল করিম, প্রচার সম্পাদক বিজয় সরকার, মোঃ ইউসুফ প্রমুখ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে