দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করার লক্ষে বন্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য মহাপরিকল্পনা চাই এম.এ জলিল

0
110

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ প্রতি বছর কোন না কোন জেলায় অথবা সারা বাংলাদেশেই বন্যায় প্লাবিত হয় তাতে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষদের জানমালের ক্ষতি হয়। এই জানমাল রক্ষার লক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুকুট মনি বঙ্গকন্যা জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার কাছে আমাদের দাবী বঙ্গবন্ধুর আদর্শের বাংলাদেশ গড়–ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ করুন মহাপরিকল্পনা নিন লক্ষে আলোচনা সভা বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ এর উদ্যোগে আজ ১৯ জুন ২০২২ বিকাল ৪ ঘটিকায় মেহেরবা প্লাজা ১৫ তলা তোপখানা রোড, ঢাকায়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল।

আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন তৃণমূল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আক্কাছ আলী খান, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, জনতা ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আবুল আহাদ দিপু মির, নাগরিক জনকল্যাণ পার্টির সাধারণ সম্পাদক শহিদুন্নবী ডাবলু, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তফা কামাল, নারী নেত্রী এলিজা রহমান, এ্যাডভোকেট তপন কুমার দাস, ঝর্ণা রহমান, অমলা রানী দাস, মোঃ ইসতিয়াক আহমেদ, ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ, জনতা সাংস্কৃতিক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শেখ বাদশা উদ্দিন মিন্টু, বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক সমির রঞ্জন দাস ও দপ্তর সম্পাদক কামাল হোসেন প্রমুখ।সভাপতির ভাষনে এম এ জলিল বলেন, বাংলাদেশের সাধারণ গরীব মানুষদের দারিদ্রমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ করার জন্য বন্যা নিয়ন্ত্রনের মহাপরিকল্পনা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে। বন্যার কারণে প্রায় প্রতি বছর বাংলাদেশের কোন না কোন অঞ্চল বা সারা বাংলাদেশে জানমালের ক্ষতি হয় যা ভবিষ্যতে আর পূরণ করা যায় না। এই বন্যার কারণে বাংলাদেশের প্রায় ১০/১ ভাগ অঞ্চলে নদী ভাঙ্গনে কবলিত হয়। তাতে মানুষ সর্বহারা হয়। এই সব থেকে মানুষদের জানমাল রক্ষা, দারিদ্র মোচন উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়ার লক্ষ্যে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য মহাপরিকল্পনা চাই। এই পরিকল্পনার অন্তর্ভূক্ত থাকবে বাংলাদেশের উত্তর প্রান্তে একটি বেরিবাধ যে বেরিবাধের চওড়া ৫০ ফুট ও উচ্চতা ১৫ ফুট, দক্ষিণ অঞ্চলের বেরিবাধ হবে টেকনাফ থেকে সাতক্ষীরা পর্যন্ত যে বেরিবাধের উচ্চতা হবে ১০০ ফুট ও প্রস্থ হবে ৩০০ ফুট।

সারা বাংলাদেশে যেসব নদী আছে সকল নদীর ন্যাবতা বজায় রেখে পানি শাসন করে দুই কুল দিয়ে বেরিবাধ তৈরী করতে হবে। যে বেরিবাধের চওড়া ১০০ ফুট ও উচ্চতা ২৫ ফুট। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশ হবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আরো বলতে চাই বাংলাদেশের সকল মানুষের বান্ধব হিসেবে আপনি আগামী বছরগুলোর জন্য পাঠশালা পরিকল্পনা গ্রহণ করুন এবং চলতি বাজেটে এই পাঠশালা পরিকল্পনার প্রতিফলন ঘটান। তবেই আপনার আকাঙ্খিত বাংলাদেশ হবে ও বিশ্বমানের মানবিক দেশ সৃষ্টি হবে।মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, বর্তমানে বৃহত্তর সিলেট ও নেত্রকোনাসহ যেসব জেলায় বন্যায় কবলিত সেখানে বিত্তশালীসহ সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং খুব শীঘ্রই একটি প্রতিনিধি দল বন্যা কবলিত অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে দাড়াবে বলে অঙ্গিকার করেন। আলোচনা শেষে বন্যা কবলিত মানুষের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।  

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে