মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্টের সম্পদে হায়নাদের থাবা

0
99

নিজস্ব প্রতিবেদক : পি ওয়েষ্টার্ন ইঞ্জিনিয়ার’স লিমিটেডের সত্ত্বাধীকারী আলাউদ্দিনসহ কিছু মুক্তিযুদ্ধা কল্যাণট্রাষ্টের অসাধু কর্মকর্তার সহযোগীতায় কোন সাইনিং মানি ছাড়া আবারও সে মার্কেটে ২০তলা পযর্ন্ত তৈরি করে বিক্রি করে চলে যেতে পারে বলে আশংকা করছেন ব্যবসায়ীরা। এ ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধা মো. মান্নান মিয়া ১২জুন রোববার প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছেন। আবেদনে মো. মান্নান মিয়া বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণট্রষ্ট ও যুদ্ধাহতদের এবং সরকারের কোটি কোটি টাকা ফাঁকি দেওয়ার বিশাল নীলনকশা, আলাউদ্দিন যে কিনা গত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিল্ডিং এর কাজ সম্পুর্ণ না করে, নিরিহ বহু মানুষের বিক্রিত পজিশন না বুঝিয়ে পালিয়ে যায়, যা দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যেমন কক্সবাজার সি প্যালেস ও খুলনায় হাজার হাজার বিঘা জায়গাসহ আরো বহু অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েণ। যা কিনা তদন্ত করলে থলের বিড়াল বের হয়ে যাবে। এই আলাউদ্দিন অতিতে বিভিন্ন সময় তার স্বার্থ্যরে জন্য রাষ্ট্রের উর্দ্ধতন কর্তা ব্যক্তিদের নাম দিয়ে সে তার পার্টনার হিসেবে পরিচয় দিতেন। সেই পন্থা এখনো অবলম্বন করছে। বর্তমানে পরিচয় দিচ্ছে রাষ্ট্রেপতির সম্পর্কে নাতি। এরা রাষ্ট্রের উচ্চ ক্ষমতাধরদের নাম ভাংগিয়ে অনৈতিক কাজ হসিল করে। 

লিখিত আবেদনে আরো বলেন, আমার অফিস ও ফ্যাক্টরি তালাবদ্ধ করার কয়েকদিন পর ২৬ মে রাতের অন্ধকারে ভংচুর এর খবর পাইয়া তাৎক্ষনিক আমি পল্টন থানায় অবগত করতে গেলে বিষয়টি টের পাই। ওই থানার ভারপাপ্ত কর্মকর্তাকে যখন আমার অফিস ও ফ্যাক্টরির বিষয়টি জানাই তখন সে আমার পরিচয় জানতে চায়। আমি পরিচয় দিলে সে ধমক দিয়ে আমাকে চলে যেতে বলে ও কর্মরত ডিউটি অফিসারকে বলে এই বিষয়ে কেউ অভিযোগ করলে তাকে গারদে ঢোকাবে। ভুক্তভুগী এমন অনেকেই আছেন তার মাঝে একজন আমি মো. মান্নান মিয়া। আমি মুক্তিযুদ্ধা কল্যাণট্রাষ্টের চুক্তিপত্র পাই এবং হালনাগাদ খজনা দিয়ে আসছি এবং ১৫ বছর যাবত ভোগ দখল করে আসছি, কিন্তু হঠাৎ হায়নাদের থাবা রাতের অন্ধকারে তালাবদ্ধ করে দেয় এবং আমায় বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিতে থাকে যে গুম করে ফেলবে এবং মিথ্যা মামলার ভয় দেখায়। তখন আমি আমার জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে বিস্তারিত ঘটনা প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে আবগত করি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে