পদ্মা সেতু বাঙালি জাতির গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল।

0
87

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেছেন, পদ্মা সেতু বাঙালি জাতির গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক। এই সেতুর প্রতিটি স্তরে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সততা, আত্মবিশ্বাস ও সাহসিকতার প্রতিচ্ছবি। এই অর্জন বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। পদ্মা সেতুর সামাজিক অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক গুরুত্ব অপরিসীম। এ সেতু দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলাসহ বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে বড় ধরণের অগ্রগতি আনবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জিডিপি বাড়বে ২.৩ শতাংশ। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে। ২৫ জুন সেতুটি উদ্বোধনের পর উন্মুক্ত হলেই দেশের সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নতি হবে।

পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্যে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের উদ্যোগে ৯ জুন বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার মতিঝিল ওয়াকফ মসজিদ মাদ্রাসা মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে আরো বলেন, পদ্মা নদীর উপর জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্ঠায় ও তার দক্ষতা, সততা, দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও গতিশীল নেতৃত্বের ফলে নির্মিত এই সেতুর নাম ‘শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু’ করা হোক। তিনি এই বিষয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার দাবি জানান।

সংগঠনের সভাপতি এম এ জলিলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লোকমান হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টির সভাপতি সৈয়দ মোকলেসুর রহমান, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম মোস্তফা কামাল, জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির ও নাগরিক কল্যাণ পার্টির সাধারণ সম্পাদক শহীদুন্নবী ডাবলু। আলোচনা শেষে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা মোঃ জাকারিয়া।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে