সব হাতে কাজ চাই, সব মুখে ভাত চাইবাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনকেন্দ্রীয় কমিটি।

0
88

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ০১.০৬.২০২২ তারিখে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর ও কৃষক সংগঠনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক, ঢাকা, মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়। জাতীয় বাজেটের উন্নয়ন খাতের ৪০ ভাগ টাকা কৃষিখাতে বরাদ্দ করে নিম্নোক্ত দাবীসমূহ বাস্তবায়ন করে ক্ষেতমজুর, কৃষক, কৃষি রক্ষা তথা দেশ বাঁচানোর দাবীতে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) নির্বাহী ফোরামের সদস্য কমরেড সীমা দত্ত ও কমরেড রাজু আহমেদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি পেশ করেন।

দাবীসমূহঃ
● ক্ষেতমজুরদের রেজিষ্ট্রেশন কার্ড ও সারা বছরের কাজ চাই। কৃষি ফসলের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত কর, কৃষক ক্ষেতমজুর ও দরিদ্র চাষীদের স্বল্প মূল্যে (আর্মি বা পুলিশ রেটে) গ্রামীণ রেশনিং ব্যবস্থা চালু কর।● সার, বীজ ও কীটনাশকসহ সকল কৃষি উপকরণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বিএডিসিকে কার্যকর কর, ভেজাল কালোবাজারী রোধ কর।●সকল বয়স্ক বিধবা স্বামী পরিত্যক্তা প্রতিবন্ধিদের মাসিক ভাতা নূন্যতম ৫ হাজার টাকা করতে হবে। সকল কৃষি ঋণ মওকুফ, সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহার কর।
● এনজিও মহাজনী তীব্র শোষণ ও কিস্তির হয়রানি বন্ধ কর, ঋণ নয় কৃষিতে নগদ প্রণোদনা দিতে হবে। ইউনিয়ন হেলথ সেন্টারে এমবিবিএস ডাক্তার প্রশিক্ষিত নার্স নিয়োগ সহ বিনা মূল্যে পর্যাপ্ত ঔষধ চাই ।● বেকার সমস্যা সমাধান কর, জেলায় সরকারি উদ্যোগে কৃষিভিত্তিক কারখানা নির্মাণ কর। অবিলম্বে সকল বন্ধ চিনি কল, পাট কল চালু কর।● খাস জমি উদ্ধার করে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বন্টন কর, দূর্ণীতি-হয়রানি, দলীয়করণ বন্ধ কর। নদী ভাঙ্গনে বন্যার সমস্যার স্থায়ী সমাধান কর। ভাঙ্গণে ক্ষতিগ্রস্থ পূর্ণবাসন কর। ইকোনোমিক জোন (অর্থনৈতিক অঞ্চল) এর নামে এবং পাওয়ার প্লান্ট ও ইট ভাটা নির্মাণের নামে কৃষি জমি ধ্বংস, ভূমিহীনদের উচ্ছেদের পায়তারা বন্ধ কর।● দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতি বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতা পাহাড়ি ঢল, আগাম বন্যায় তলিয়ে যাওয়া কৃষি ফসল হারানো ক্ষতি গ্রন্থ কৃষক ও দরিদ্র মানুষদের দ্রুত সময়ের মধ্যে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দাও।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে