অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে মনিজা রহমান স্কুলের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

0
75

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃএসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকার মনিজা রহমান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ লুৎফন্নাহারের পদত্যাগ এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সড়ক অবরোধ করে।রবিবার (২০ মার্চ) প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা বিভিন্ন প্লাকার্ড বহন করেন।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রওজাতুল জান্নাত বলেন, ‘আমরা ২০২২ এবং ২০২৩ সেশনের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, আমরা পরীক্ষা দিতে চাই। কিন্তু আমাদের রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে না। আমাদের প্রিন্সিপাল এক সঙ্গে দুই স্কুলের প্রিন্সিপালের দায়িত্বে আছে। বোর্ডের একটাই কথা প্রিন্সিপালকে পদত্যাগ করতে হবে—না হলে পরীক্ষা নিতে পারবে না।’নুর নাহার নামে একজন অভিভাবক জানান, ‘বোর্ড ও স্কুলের প্রিন্সিপালের মধ্যে যে সমস্যা আছে তার সমাধান না হল ২০২৩ সালে কোনও পরীক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন হবে না।

২০২২ এর রেজিস্টেশন নাকি হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা কোনও কাগজ পাই নাই। এখন হাতে মাত্র দুই মাস সময় আছে। আমাদের বাচ্চারা কিভাবে পরীক্ষা দিবে? আমরা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি।’মনিজা রহমান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক নাসিরুদ্দিন বলেন, ‘২০২০ সালে অধ্যক্ষ লুৎফন নাহার নিয়োগ পাবার পর তার বিরুদ্ধে কিছু দুর্নীতির বিষয় প্রকাশ পায়। তখন তার বিরুদ্ধে একজন অভিভাবক বোর্ডে অভিযোগ দাখিল করেন। এবং এ বিষয়ে তদন্ত হয়। তদন্তে প্রিন্সিপাল অভিযুক্ত হন।

বোর্ড স্কুলের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে বলে—এই প্রিন্সিপালকে সরিয়ে দেন বা ব্যবস্থা নেন। কিন্তু কমিটি কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। পরে বোর্ড ব্যবস্থাপনা কমিটি ভেঙ্গে দিয়েছে।তিনি আরও বলেন, ‘২০২১ সালের নভেম্বরের দিকে অধ্যক্ষ লুৎফন নাহার বোর্ডের বিরুদ্ধে স্কুলের কমিটি ভেঙ্গে দেওয়ায় মামলা করে।’এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটির সকল শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারবে। এ নিয়ে কোনও সমস্যা হবে না। অধিদফতরের পক্ষ থেকে তাদের ফরম-ফিলাপের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ দুটি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নিতেন। এ নিয়ে তদন্ত হয়েছে। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এ বিষয়ে কথা বলতে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ লুৎফন নাহারকে মোবাইল ফোনে কল করা হলে, তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে